মানবিক বোধ, বৈজ্ঞানিক চিন্তা ও শিক্ষার প্রতি গভীর ভালোবাসা — এই তিনটি শব্দই যেন অর্ক মুনতাসির নির্ঝরের জীবনদর্শনের মূল ভিত্তি। তিনি বিশ্বাস করেন, একটি স্কুল কেবল জ্ঞান অর্জনের স্থান নয়; এটি একটি মানবিক চিন্তার কর্মশালা, যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী নিজের ভেতরের আলোকে চিনে নিতে শেখে। অর্ক মুনতাসির নির্ঝর ছোটবেলা থেকেই শিক্ষা ও সমাজসেবায় অনুপ্রাণিত। উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি তিনি উপলব্ধি করেন, বাংলাদেশের গ্রামীণ ও সীমান্ত অঞ্চলের শিশুরা সঠিক দিকনির্দেশনা ও সুযোগ পেলে অসাধারণ কিছু করতে পারে। সেই বিশ্বাস থেকেই তিনি এগিয়ে আসেন হিলি পাবলিক স্কুলের উন্নয়নে, যার লক্ষ্য— “শৃঙ্খলা, শিক্ষা ও নৈতিকতার আলোয় প্রজন্ম গঠন।”
তার নেতৃত্বে স্কুলটি ধীরে ধীরে এক নতুন মাত্রায় উন্নীত হচ্ছে, ‘শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ, শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা জাগ্রত করা, এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার পরিবেশ তৈরি’ — এই তিন দিককে সমানভাবে গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
অর্ক মুনতাসির নির্ঝর মনে করেন, একজন ভালো মানুষ হওয়াই শিক্ষার সর্বোচ্চ সাফল্য। তাই তিনি সবসময় শিক্ষার্থীদের বলেন —
“জ্ঞানই শক্তি, কিন্তু নৈতিকতাই সেই শক্তির দিশারি।”
তার অনুপ্রেরণায় হিলি পাবলিক স্কুল আজ কেবল একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, বরং একটি মানবিক আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু, যেখানে প্রতিটি শিশুর স্বপ্ন ও সম্ভাবনা পূর্ণতা পেতে শুরু করেছে।
**** পরিচালকের বার্তা ****
“আমি বিশ্বাস করি—
প্রত্যেক শিশুর মধ্যে একটি আলোকিত সম্ভাবনা লুকিয়ে আছে। আমাদের কাজ সেই আলো জ্বালানো, তাকে সঠিক পথে পরিচালিত করা।
শিক্ষা তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তা চিন্তার স্বাধীনতা, নৈতিক দৃঢ়তা এবং মানবিকতার শক্তি তৈরি করে।”
— অর্ক মুনতাসির নির্ঝর
পরিচালক, হিলি পাবলিক স্কুল
